জেলা ব্যবসায়ীক মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ীদের কোন দল নাই বললেন-সাঈদ

আমরা মনে করি ব্যবসায়ীদের কোন দল নাই। ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রের সম্পদ। ব্যবসায়ীরা ভালো থাকলে রাষ্ট্রের অর্থনীতি ভালো থাকবে, দেশের মানুষ ভালো থাকবে।কতিপয় দুষ্কৃতিকারী ছাত্র জনতার অর্জনকে ম্লান করার জন্য সন্ত্রাসী চাঁদাবাজিতে নেমেছে। আমরা জানতে পারছি বিভিন্ন জায়গায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল, ব্যবসায়ীদের হুমকি, চাঁদাবাজি শুরু করেছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। 

এমনিতেই দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের পথে। বিগত তিন মাসে দেশে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩০ লাখ। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ হয়ে গেলে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে, দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হবে। তাই দেশের স্বার্থে ছাত্র-জনতাকে আবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই দুষ্কৃতকারীদের হঠাতে হবে।

ব্যবসায়ীদের সমস্যার সমাধান এবং ব্যবসার ক্ষেত্র তৈরি করার দায়িত্ব ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির। বিগত ষোল বছর কতিপয় ব্যক্তির ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য তাদের পছন্দের কিছু লোক দিয়ে সংগঠনগুলি পরিচালনা করেছে, যেখানে সাধারণ ব্যবসায়ী সদস্যদের কোন ভূমিকা ছিল না বরং তারা জিম্মি ছিল। 

তাই পূর্বের সকল কমিটি ভেঙে দিয়ে দুই মাসের জন্য এডোপ

কমিটি গঠন করতে হবে। যারা দুই মাসের মধ্যে সাধারণ ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে তাদের নেতা তৈরি করবে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সাথে জাতীয় এবং স্থানীয় ১২টি ব্যবসায়িক সংগঠনের নেতাদের মতবিনিময়ে সভায় নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত বক্তব্য পেশ করেন, সভায় ১২টি ব্যবসায়ী সংগঠনের সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার সাঈদ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্যবসার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য চার দফা দাবি পেশ করেনঃ

 ১. আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য যৌথ বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ২. ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার পূর্বে তদন্ত করে সঠিক ঘটনা যাচাই করতে হবে। ৩. মামলা নেওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা তালিকা দেখানো যাবে না। ৪. ব্যবসায়িক সংগঠনগুলির কমিটি ভেঙে দিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে। ১ লা সেপ্টেম্বর রবিবার জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে এসব কথা বলেন। 

এসময় ব্যবসায়ীক মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিকেএমই সদস্য আবু জাফর আহমেদ  আবুল,আইবিডব্লিউএফ এর জেলা সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন পিন্টু, বাংলাদেশ লবন মিল মালিক সমিতি সভাপতি পরিতোষ কান্তি সাহা,সদস্য কমল সাহা, বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স এসোসিয়েশন সভাপতি সেলিম সারোয়ার, সহ সভাপতি রাকিবুল ইসলাম , বাংলাদেশ টেক্সটাইল ডাইস কেমিক্যাল মার্চেন্ট এসোসিয়েশন পরিচালক শাফায়ত আলম ফয়সাল, পরিচালক সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইয়ার্ন মার্চেন্ট এসোসিয়েশন সদস্য আহমেদুর রহমান তনু, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ সদস্য গোলাম হায়দার কবির,সাবেক পরিচালক আরিফ দিপু, নারায়ণগঞ্জ জেলা দোকান মালিক সমিতি জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সভাপতি হাবিবুর রহমান, হোসিয়ারী সমিতি সদস্য খলিলুর রহমান খান, বাংলাদেশ ইন্টোরিয়র ডিজাইন কোম্পানি ওনার্স এসোসিয়েশন দপ্তর সম্পাদক ফজলুল হক উজ্বল, মেম্বার নুরুল ইসলাম বুলবুল, নারায়ণগঞ্জ রিয়েল এস্টেট এন্ড ডেভেলপার্স এসোসিয়েশন সদস্য আব্দুস সাত্তার আনসারী প্রমূখ। 

ট্যাগ:
জনপ্রিয় পোস্ট

জেলা ব্যবসায়ীক মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ীদের কোন দল নাই বললেন-সাঈদ

প্রকাশঃ 03:25:45 pm, Sunday, 1 September 2024

আমরা মনে করি ব্যবসায়ীদের কোন দল নাই। ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রের সম্পদ। ব্যবসায়ীরা ভালো থাকলে রাষ্ট্রের অর্থনীতি ভালো থাকবে, দেশের মানুষ ভালো থাকবে।কতিপয় দুষ্কৃতিকারী ছাত্র জনতার অর্জনকে ম্লান করার জন্য সন্ত্রাসী চাঁদাবাজিতে নেমেছে। আমরা জানতে পারছি বিভিন্ন জায়গায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল, ব্যবসায়ীদের হুমকি, চাঁদাবাজি শুরু করেছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। 

এমনিতেই দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের পথে। বিগত তিন মাসে দেশে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩০ লাখ। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ হয়ে গেলে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে, দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হবে। তাই দেশের স্বার্থে ছাত্র-জনতাকে আবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই দুষ্কৃতকারীদের হঠাতে হবে।

ব্যবসায়ীদের সমস্যার সমাধান এবং ব্যবসার ক্ষেত্র তৈরি করার দায়িত্ব ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির। বিগত ষোল বছর কতিপয় ব্যক্তির ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য তাদের পছন্দের কিছু লোক দিয়ে সংগঠনগুলি পরিচালনা করেছে, যেখানে সাধারণ ব্যবসায়ী সদস্যদের কোন ভূমিকা ছিল না বরং তারা জিম্মি ছিল। 

তাই পূর্বের সকল কমিটি ভেঙে দিয়ে দুই মাসের জন্য এডোপ

কমিটি গঠন করতে হবে। যারা দুই মাসের মধ্যে সাধারণ ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে তাদের নেতা তৈরি করবে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সাথে জাতীয় এবং স্থানীয় ১২টি ব্যবসায়িক সংগঠনের নেতাদের মতবিনিময়ে সভায় নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত বক্তব্য পেশ করেন, সভায় ১২টি ব্যবসায়ী সংগঠনের সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার সাঈদ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্যবসার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য চার দফা দাবি পেশ করেনঃ

 ১. আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য যৌথ বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ২. ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার পূর্বে তদন্ত করে সঠিক ঘটনা যাচাই করতে হবে। ৩. মামলা নেওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা তালিকা দেখানো যাবে না। ৪. ব্যবসায়িক সংগঠনগুলির কমিটি ভেঙে দিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে। ১ লা সেপ্টেম্বর রবিবার জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে এসব কথা বলেন। 

এসময় ব্যবসায়ীক মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিকেএমই সদস্য আবু জাফর আহমেদ  আবুল,আইবিডব্লিউএফ এর জেলা সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন পিন্টু, বাংলাদেশ লবন মিল মালিক সমিতি সভাপতি পরিতোষ কান্তি সাহা,সদস্য কমল সাহা, বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স এসোসিয়েশন সভাপতি সেলিম সারোয়ার, সহ সভাপতি রাকিবুল ইসলাম , বাংলাদেশ টেক্সটাইল ডাইস কেমিক্যাল মার্চেন্ট এসোসিয়েশন পরিচালক শাফায়ত আলম ফয়সাল, পরিচালক সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইয়ার্ন মার্চেন্ট এসোসিয়েশন সদস্য আহমেদুর রহমান তনু, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ সদস্য গোলাম হায়দার কবির,সাবেক পরিচালক আরিফ দিপু, নারায়ণগঞ্জ জেলা দোকান মালিক সমিতি জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সভাপতি হাবিবুর রহমান, হোসিয়ারী সমিতি সদস্য খলিলুর রহমান খান, বাংলাদেশ ইন্টোরিয়র ডিজাইন কোম্পানি ওনার্স এসোসিয়েশন দপ্তর সম্পাদক ফজলুল হক উজ্বল, মেম্বার নুরুল ইসলাম বুলবুল, নারায়ণগঞ্জ রিয়েল এস্টেট এন্ড ডেভেলপার্স এসোসিয়েশন সদস্য আব্দুস সাত্তার আনসারী প্রমূখ।